Thursday, August 4, 2022

কারবালা - ০১

 প্রসঙ্গ কারবালা - ০১

**************
কারবালার মাঠে এজিদ বাহিনীর ২২০০০ (মতান্তরে ৩০০০০, কতক বর্ণনায় ৭০০০০) সৈন্যের ৭০০০ ছিল হাফেজ আর ৩০০০ ছিল মুফতি ।
একে-একে নবী(সাঃ)-এর বংশধর (যাঁদের উপর সম্মানের সাথে দরূদ ও সালাম না পড়লে ইবাদত কবুল হয় না) যখন শাহাদাত বরণ করছেন এবং ইমাম হোসাইন যখন কেবল একা দাড়িয়ে ছিলেন
তখন তার শেষ কয়টি বানীর কিছু অংশের অনুবাদ :
“কেন আমাকে হত্যা করতে চাও..??
আমি কি কোন পাপ অথবা অপরাধ করেছি..??
এজিদের সৈন্য বাহিনী বোবার মত দাড়িয়ে রইল।
পুনরায় ইমাম হোসাইন বললেন,
“আমাকে হত্যা করলে আল্লাহর-কাছে কি জবাব দেবে..??
কি জবাব দেবে বিচার দিবসে প্রিয় নবী (সাঃ)-এর কাছে..??
এজিদের সৈন্য বাহিনী পাথরের মত দাঁড়িয়ে আছে!
আবার ইমাম হোসাইন বললেন,
‘হাল্ মিন্ নাস্রিন ইয়ানসুরুনা,.??
আমাদের সাহায্য করার মত কি তোমাদের মাঝে একজনও নাই..??
তারপরের আহ্বানটি সাংঘাতিক মারাত্বক!!
ঐতিহাসিকদের মতে এটাই ইমাম হোসাইন (রাঃ) শেষ আহ্ববান!
"‘আমার কথা কি শুনতে পাও না..??
তোমাদের মাঝে কি মাত্র একজন মুসলমানও নাই..??
মুসলমান-নামের ওই অপদার্থের দল ইমামের বাণীর কোন জবাব দিতে পারলো না! সমস্ত কারবালা নিরব-নিস্তব্ধ হয়ে গেলো!
ইমাম হোসাইন (রাঃ)-এর শেষ ভাষনটি ছিল মাত্র একটি ছোট্র বাক্য। তবে এর মর্ম অপরিসীম বেদনা দায়ক!
জান্নাতের সর্দার ইমাম হোসাইন আসল এবং নকলের ভাগটা পরিস্কার করে দেখিয়ে গেলেন শেষ বাক্যটিতে। কারন, এজিদের সৈন্য বাহিনীতে একজনও হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান অথবা অন্য কোন ধর্মের কেউ ছিল না! সবাই ছিল মুসলমানের দাবীদার!
অথচ কি সাংঘাতিক এবং ভয়ংকর সেই বাক্য!
তোমাদের মাঝে কি একজন মুসলমান ও নাই..??
না, একজনও সত্যিকার আসল মুসলমান ছিল না বলেই ইমাম হোসাইন বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন যে, যারা দাঁড়িয়ে আছে তারা সবাই নকল মুসলমান!!!
তারপর!
ইতিহাসের সবচেয়ে কলংকিত বাক্য শোনা গিয়েছিলো--
"তৈরি হও, তাড়াতাড়ি হোসাইনকে কতল কর, নামাযের সময় পার হয়ে যাচ্ছে, জলদি কর"।
[অথচ নামাযে তারা বলতে বাধ্য।
হে আল্লাহ তুমি হযরত মুহম্মদ (সাঃ) এবং তাঁর বংশধরের উপর রহমত নাযিল করো....(দরূদ শরীফ)]

No comments:

Post a Comment

ডিপ্রেশন কী?

  ডিপ্রেশন কী? উত্তরঃ তুমি এবং তোমার স্রষ্টার মধ্যকার দুরত্বের নামই হল ডিপ্রেশন। খাদিজা(রা:) খুব ধনী ঘরের মেয়ে ছিলেন। বিলাসিতার মধ্যেই বড় হও...